Posts

ঘুষ

Image
 ঘুষ একটি সামাজিক ব্যাধি। ঘুষ হচ্ছে স্বাভাবিক ও বৈধ উপায়ে যা কিছু পাওয়া যায় তার উপর অবৈধ পন্থায় অতিরিক্ত কিছু গ্রহণ করা। কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী তার দায়িত্ব পালনের জন্য নিয়মিত বেতন/ভাতা পাওয়া সত্ত্বেও যদি বাড়তি কিছু অবৈধ পন্থায় গ্রহণ করে তাহলে তা ঘুষ হিসাবে বিবেচিত। অনেক সময় স্বীয় অসৎ উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য ঘুষ দেওয়া হয়। আবার অনেক সময় টাকা-পয়সা ছাড়াও উপহারের নামে নানা সমগ্রী প্রদান করা হয়। সুতরাং যেভাবেই হোক, আর যে নামেই হোক তা ঘুষের অন্তর্ভুক্ত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: لَعْنَةُ اللَّهِ عَلَى الرَّاشِي وَالْمُرْتَشِي “ঘুষ প্রদানকারী ও গ্রহণকারী উভয়ের উপরই আল্লাহর লা‘নত । সরকারী বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল পদে থেকে হারাম অর্থ গ্রহণই হচ্ছে ঘুষ। এই ঘুষ যারা দেয় তারাও সমান অপরাধী। বেআইনী ফায়দা হাসিলের জন্য যারা কর্তাব্যক্তিদেরকে বিভিন্ন সুবিধা বা টাকা পয়সা দিয়ে প্রভাবিত করতে চেষ্টা করে তারাই এই গুনাহ সংঘটনের অন্যতম শরীক। যারা ঘুষকে একটি অঘোষিত ব্যবস্থা হিসেবে প্রশ্রয় দেয় তারাই অপরাধী। দেখা যায় মাঝে মধ্যে ...

শিক্ষামূলক উক্তি:

শিক্ষামূলক উক্তি: আমি আল্লাহকে সবচেয়ে বেশি ভয় পাই। তারপর সেই মানুষকে ভয় পাই যে আল্লাহকে মোটেই ভয় পায় না। -শেখ সাদী 02. অনুকরণ নয়, অনুসরণ নয়, নিজেকে খুঁজুন, নিজেকে জানুন, নিজের পথে চলুন। – ডেল কার্নেগি 03. টিয়া পাখির মতো মুখস্ত করে বড় বড় সার্টিফিকেট অর্জন করে বড় বড় চাকরি পাওয়াকে শিক্ষা বলে না, শিক্ষা হচ্ছে সেটা যা একজন মানুষের ভিতরের কুশিক্ষাকে দূরে করে সমাজের পরিবর্তনে এগিয়ে আসার উৎসাহ যোগায়। – রেদোয়ান মাসুদ 04. জ্ঞানীর হাত ধরা যায়, কিন্তু বোকার মুখ ধরা যায় না। -জর্জ হার্বাটর 05. জ্ঞানী লোক কখনও সুখের সন্ধান করে না। – এরিষ্টটল 06. পারিব না’ একথাটি বলিও না আর, কেন পারিবে না তাহা ভাব একবার; পাঁচজনে পারে যাহা, তুমিও পারিবে তাহা, পার কি না পার কর যতন আবার একবার না পারিলে দেখ শতবার। – কালীপ্রসন্ন ঘোষ 07. কাল আমার পরীক্ষা। কিন্তু এটা আমার কাছে বিশেষ কোন ব্যাপারই না, কারন শুধুমাত্র পরীক্ষার খাতার কয়েকটা পাতাই আমার ভবিষ্যৎ নির্ধারন করতে পারেনা॥ ” – টমাস আলভা এডিসন। 08. শিক্ষার উচিত তাকে উদ্যোক্তা বা চাকরি সৃষ্টিকারী হতে প্রস্তুত করা, চাকরি খুঁজতে নয়।…আমরা যদি তরুণদের চাকরি সৃষ্টিকারী...
"এর-ই নাম ভালোবাসা।".....   রিফাঃ হ্যালো,জানপাখি তুমি কোথায়? রাজঃ কেন?আমিতো বাড়িতে..... রিফাঃ এখনি একবার পার্কে আসো,প্লিজ...... .. রাজঃ আমার একটা টিউশনি আছে,আসতে পারলাম না........ রিফাঃ প্লিজ,প্লিজ আসো...প্রতিদিনই  তো পড়াও......আজকে ছুটি দাও... রাজঃ দেখ,এটা আমার কাজ।এটা না করলে আমার পড়াশোনার খরচ জোগাতে পারব না...... রিফাঃ প্লিজ আসো,যদি না আসো তাহলে তোমার সাথে আড়ি!!হুম.... রাজঃ হা হা হা,আড়ি?কতহ্মণের  জন্য সোনাপাখি? ১ঘন্টা?....... রিফাঃ না............. রাজঃ ২ ঘন্টা? ৫ঘন্টা? ১ দিন?..........  রিফাঃ না,না, না....... রাজঃ তাহলে.......... ... রিফাঃ তুমি যতহ্মণ না আসবে,ততহ্মণ আমি ফোন দিতেই থাকব, দিতেই থাকব....... রাজঃ যদি ফোন বন্ধ করি??  রিফাঃ তাহলে,যে বাড়িতে পড়াও সেখানে গিয়ে তোমাকে নিয়ে আসব!! রাজঃ এটা আবার কেমন আড়ি? তুমি না,আসলেই একটা..... রিফাঃ কি?বল বল...পাগলি তো? সেটাই ভালো....তবুও প্লিজ আজকে আসো.. অগত্যা রাজকে সেদিন ছুটি নিতে হল। রাজ আর রিফার সম্পর্ক তিন বছরের। দুইজনাই অনার্স ৪র্থ বর্ষের ছাত্র- ছাত্রী। রাজ মধ্যোবিত্ত ঘরের সন্তান।কিন্তু রিফা বড়লোক বাবার আদরের ...

******বলা হয়নি না বলা কথা***********

******বলা হয়নি না বলা কথা***********   সেদিন ভার্সিটি থেকে বাসায় ফিরছি। ঠিক সেই মুহুর্তে পিছন থেকে একটা মেয়েলী কণ্ঠ ভেসে আসছে। আমায় নাম ধরে ডাকছে আমি ভাবছি আমার নামের অন্য কাউকে ডাকছে তাই মেয়েটার ডাকে সাড়া না দিয়ে আমি আমার গন্তব্যের দিকে হাটতে লাগলাম। দু তিন পা এগুতেই মেয়েটা আমার সামনে এসে দাঁড়ালো। দেখতে অনেক সুন্দর বটে কিন্তু আমি তো এই মেয়েটাকে চিনি না। এর আগে দেখছি বলে মনে হয় না। আমি বেশ অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলামঃ আপনি কি আমায় ডাকছেন? মেয়েটা মুখটা ভেংচি দিয়ে বললোঃ আপনাকে ছাড়া আর কাকে ডাকবো? এখানে এই নামে আর কেউ আছে বলে মনে হয় না। আমি মেয়েটার কথা শুনে আকাশ থেকে পড়লাম। চিনি না জানি না হঠাৎ কোথ থেকে উড়ে এসে জুড়ে বসলো। আমি নরম মৃদু স্বরে বললামঃ আপনি আমাকে কিভাবে চিনেন? যেভাবেই হোক চিনি কিন্তু বলবো না। কি ঝামেলারে বাবা চিনে কিন্তু বলবে না। সেদিনের মত কথা শেষ করে বাসায় আসলাম। রাত ১২ টার দিকে আমার ফোনে একটা কল আসে। অচেনা নাম্বার দেখে প্রথমে ধরি নাই। বারবার কল দেওয়াতে বিরক্ত হয়ে ফোনটা ধরলাম। এইযে কে আপনি? বারবার ফোন দিচ্ছেন কেনো? ফোনের ওপাশ থেকে কাঁদোকাঁদো কন্ঠে বললোঃ আমি। আমি রেগে গিয়ে ...
ভাইয়া, এই ভাইয়া। আর কতো ঘুমাবি? উঠ তাড়াতাড়ি। --কিরে ইডিয়ট, সকাল সকাল এতো চিল্লাচিল্লি করছিস কেনো? --আমার টাকা দে। --কিসের টাকা? --ব্যাগ থেকে টাকা চুরি করছস যে সেই টাকা। --কার ব্যাগ থেকে কে চুরি করলো? --আমার ব্যাগ থেকে তুই চুরি করছস। --মাইর না খাইতে সর এখান থেকে. --সকাল সকাল মেজাজটা দিলি তো খারাপ করে। --রাখ তোর মেজাজ, আমার টাকা দে। --তাড়াতাড়ি.আমার  ক্লাসের দেরি হয়ে যাচ্ছে। --তোর টাকা কে নিয়েছে?  উল্টাপাল্টা কথা বললে মাইর খাবি। --এর আগেও অনেকবার টাকা নিয়ে ধরা খেয়েছিস তোর মনে নেই? --তুইও তো আমার পকেট থেকে টাকা নিয়েছিলি। --সেটা তো তোর জামা ধুতে গিয়ে পাইছি। --ও, তাই তো বলি তুই শুধু আমার প্যান্ট ধুতে রাজি হস কিসের জন্য। --এখন আমার টাকা দে জলদি, নয়তো আজকে ক্লাসে যেতে পারবোনা। --হইসে হইসে, পকেটে দেখ পঞ্চাশ টাকা আছে। এখন সেটা নিয়েই ক্লাসে যা.পরে দিয়ে দিস। --আমার লক্ষী ভাইয়া। . আসিফ তার ছোট বোন আয়েশার চেয়ে দুই বছরের বড় হলেও বন্ধুর মতোই আচরণ করে দুজন।আয়েশা hsc প্রথম বর্ষে আর আসিফ এইবার hsc শেষ করলো। প্রতিদি...
 নয়ন তোমারে পায় না দেখিতে রয়েছ নয়নে নয়নে, হৃদয় তোমারে পায় না জানিতে হৃদয়ে রয়েছ গোপনে। বাসনা বসে মন অবিরত, ধায় দশ দিশে পাগলের মতো। স্থির আঁখি তুমি ক্ষরণে শতত জাগিছ শয়নে স্বপনে। সবাই ছেড়েছে নাই যার কেহ তুমি আছ তার আছে তব কেহ নিরাশ্রয় জন পথ যার যেও সেও আছে তব ভবনে। তুমি ছাড়া কেহ সাথি নাই আর সমুখে অনন্ত জীবন বিস্তার, কাল পারাপার করিতেছ পার কেহ নাহি জানে কেমনে। জানি শুধু তুমি আছ তাই আছি তুমি প্রাণময় তাই আমি বাঁচি, যতো পাই তোমায় আরো ততো যাচি যতো জানি ততো জানি নে। জানি আমি তোমায় পাবো নিরন্তন লোক লোকান্তরে যুগ যুগান্তর তুমি আর আমি, মাঝে কেহ নাই কোনো বাঁধা নাই ভুবনে। নয়ন তোমারে পায় না দেখিতে রয়েছ নয়নে নয়নে।
শিশির ভেজা সকালে ঘাসের উপরে, হেটে চলেছি দুজন এক সাথে, অচেনা পথে হারিয়েছি দুজন একসাথে পথ ছিল অজানা হারিয়ে যেতে নেই মানা, রাখলে তোমার হাতে হাত জীবনটা করে দিতে পারি পার, মনের মাধুরি দিয়ে সাজাবো দুজনের সংসার , জানি থাকবে পাশে সুখে আর দু:খে হারাবে না কোনদিন,  ভাবনার প্রান্ত জুরে আছো তুমি আমার বুকে জীবনের পথ চলবো তুমি আর আমি এক সাথে…